
হার্টের সমস্যা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. উচ্চ রক্তচাপ ২. রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ৩. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ৪. ডায়াবেটিস ৫. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা ৬. শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ৭. অতিরিক্ত লবণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার ৮. দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব ৯. পারিবারিক/বংশগত ঝুঁকি ১০. কিছু ক্ষেত্রে জন্মগত হৃদ্রোগ বা ভালভের সমস্যা
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
বুকে চাপ, ব্যথা বা ভারী লাগা
হাঁটলে বা পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট
অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া
বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দন অনিয়মিত লাগা
মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
পা, গোড়ালি বা শরীরের নিচের অংশ ফুলে যাওয়া
অতিরিক্ত ঘাম
দুর্বলতা
শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন:
- অতিরিক্ত লবণ
- আচার, চিপস, চানাচুর ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
- অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
- চর্বিযুক্ত মাংস ও অতিরিক্ত চর্বি
- অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয়
- অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার
- ধূমপান ও তামাক
- অ্যালকোহল
উপকারী খাবার
- বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি
- তাজা ফল পরিমিত পরিমাণে
- ডাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন
- মাছ
- পূর্ণশস্য ও আঁশযুক্ত খাবার
- বাদাম পরিমিত পরিমাণে
- পর্যাপ্ত পানি—তবে হার্ট ফেইলিউর বা কিডনি রোগে চিকিৎসক তরল সীমিত করতে বললে সেই নির্দেশ মানতে হবে।
পরামর্শ
১. নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।
২. ধূমপান সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।
৩. চিকিৎসকের অনুমতি অনুযায়ী নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।
৪. ওজন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
৬. চিকিৎসকের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ নিজে থেকে বন্ধ করবেন না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।