
হাটু ব্যথা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. পড়ে যাওয়া বা আঘাত লাগা। ২. অতিরিক্ত হাঁটা, দৌড়ানো বা ভারী কাজ করা। ৩. অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা অস্থিসন্ধির ক্ষয়। ৪. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগ। ৫. লিগামেন্ট, টেন্ডন বা মেনিস্কাসে আঘাত। ৬. গাউট বা ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া। ৭. অতিরিক্ত ওজন। ৮. হাঁটুর চারপাশে প্রদাহ বা তরল জমা। ৯. ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ। ১০. দীর্ঘদিন ভুল ভঙ্গিতে বসা বা দাঁড়ানো।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
হাঁটুতে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া।
হাঁটু ফুলে যাওয়া।
হাঁটু ভাঁজ বা সোজা করতে কষ্ট হওয়া।
হাঁটার সময় ব্যথা বৃদ্ধি পাওয়া।
হাঁটুতে শব্দ হওয়া বা ঘর্ষণের অনুভূতি।
হাঁটু দুর্বল বা অস্থির মনে হওয়া।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর উঠতে কষ্ট হওয়া।
হাঁটুর স্থান গরম বা লাল হয়ে যাওয়া।
সিঁড়ি ওঠানামা ও বসা থেকে উঠতে সমস্যা হওয়া।
নিষেধ
হাঁটু ব্যথার সব রোগীর জন্য একই খাবার নিষিদ্ধ নয়। তবে—
১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার কম খেতে হবে।
২. তেলেভাজা, ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার কমাতে হবে।
৩. অতিরিক্ত মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিহার করা ভালো।
৪. গাউট বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে কলিজা, ভুঁড়ি, অতিরিক্ত লাল মাংস, কিছু সামুদ্রিক মাছ ও অতিরিক্ত ডালজাতীয় খাবার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সীমিত করতে হবে।
৫. অতিরিক্ত ওজন থাকলে বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার কমাতে হবে।
৬. অ্যালকোহল গ্রহণ করলে তা এড়ানো উচিত, বিশেষত গাউটের ক্ষেত্রে।
উপকারী খাবার
- শাকসবজি ও মৌসুমি ফল।
- মাছ, ডিম, ডাল ও পরিমিত প্রোটিন।
- দুধ বা দুধজাত খাবার, যদি সহ্য হয়।
- ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার।
- বাদাম ও বীজ, পরিমিত পরিমাণে।
- পর্যাপ্ত পানি।
- সুষম ও পুষ্টিকর খাবার।
পরামর্শ
১. ব্যথা বাড়ায় এমন দৌড়ানো, লাফানো বা ভারী কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখুন।
২. হাঁটু ফুলে গেলে কাপড়ে মোড়ানো বরফ ১৫–২০ মিনিট করে দিনে কয়েকবার দিতে পারেন।
৩. বিশ্রামের সময় হাঁটু সামান্য উঁচু করে রাখুন।
৪. অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।
৫. ব্যথা কমলে চিকিৎসকের পরামর্শে হালকা ব্যায়াম ও পেশি শক্ত করার অনুশীলন করুন।
৬. দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।
৭. আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন।
৮. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘদিন খাবেন না।
৯. ব্যথা বারবার হলে বা দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে অর্থোপেডিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।