
মুখে মেসতার সমস্যা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. অতিরিক্ত সূর্যের আলো ও UV রশ্মি। ২. হরমোনের পরিবর্তন, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়। ৩. জন্মনিয়ন্ত্রণের কিছু ওষুধ বা হরমোনাল পরিবর্তন। ৪. বংশগত প্রবণতা। ৫. কিছু প্রসাধনী বা ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করে এমন পণ্য। ৬. থাইরয়েডসহ কিছু হরমোনজনিত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। ৭. ত্বকে প্রদাহ বা আঘাতের পরেও কালচে দাগ হতে পারে।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
মুখে বাদামি বা ধূসর-বাদামি দাগ
দুই গালে সমানভাবে দাগ হওয়া
কপালে দাগ
নাকের ওপর দাগ
ওপরের ঠোঁটের আশপাশে কালচে দাগ
সাধারণত ব্যথা বা চুলকানি থাকে না
রোদে দাগের গাঢ়ত্ব বাড়তে পারে
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
মেছতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো খাবার সবার জন্য নিষিদ্ধ—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন এবং:
- অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর ফাস্টফুড কমান।
- অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান।
- পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
- পুষ্টিকর শাকসবজি ও ফলমূল খাবারে রাখুন।
শুধু কোনো নির্দিষ্ট খাবার বন্ধ করলেই মেছতা চলে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।
উপকারী খাবার
- বিভিন্ন রঙের শাকসবজি
- ভিটামিন-C সমৃদ্ধ ফল যেমন আমলকি, পেয়ারা, কমলা
- টমেটো
- ডিম, মাছ ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিন
- বাদাম ও বীজ পরিমিত পরিমাণে
- পর্যাপ্ত পানি
পরামর্শ
১. প্রতিদিন SPF 30 বা তার বেশি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
২. বাইরে থাকলে নিয়মিত সানস্ক্রিন পুনরায় লাগান।
৩. ছাতা, টুপি ও অন্যান্য সূর্য-সুরক্ষা ব্যবহার করুন।
৪. দুপুরের তীব্র রোদ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
৫. ত্বকে জ্বালা করে এমন ক্রিম, সাবান বা প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।
৬. মেছতার দাগ ঘষাঘষি বা খোঁচাবেন না।
৭. চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে প্রয়োজনে hydroquinone, azelaic acid, tretinoin বা অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়।
৮. গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে কোনো দাগের ওষুধ নিজে থেকে ব্যবহার করবেন না।
৯. মেছতা কমতে সময় লাগে; নিয়মিত সানস্ক্রিন ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।