
ফ্যটি লিভার এর সমস্যা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. অতিরিক্ত ওজন বা পেটের মেদ। ২. টাইপ-২ ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। ৩. রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড/কোলেস্টেরল বেশি থাকা। ৪. অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ। ৫. শারীরিক পরিশ্রমের অভাব। ৬. অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ। ৭. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ৮. দ্রুত ওজন কমানো বা অপুষ্টি—কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৯. বংশগত ও বিপাকীয় কিছু কারণ।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
প্রধান লক্ষণ
অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। থাকলে দেখা যেতে পারে:
- সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া
- দুর্বলতা
- ডান ওপরের পেটে অস্বস্তি বা ভারী লাগা
- পেটের মেদ বৃদ্ধি
- ওজন বেশি থাকা
লিভারের প্রদাহ বা রোগ গুরুতর হলে জন্ডিস, পা/পেট ফুলে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন:
- অ্যালকোহল
- কোমল পানীয় ও মিষ্টি পানীয়
- অতিরিক্ত চিনি
- মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি ও মিষ্টান্ন
- অতিরিক্ত ফাস্টফুড
- ভাজাপোড়া খাবার
- অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস
- অতিরিক্ত পরিমাণে সাদা ভাত/ময়দাজাতীয় খাবার
গুরুত্বপূর্ণ: শুধু “লিভার পরিষ্কার” করার জন্য হারবাল/সাপ্লিমেন্ট বা ডিটক্স পানীয় নিজে থেকে ব্যবহার করবেন না—কিছু পণ্য লিভারের ক্ষতি করতে পারে।
উপকারী খাবার
- বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি
- পরিমিত তাজা ফল
- ডাল ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ প্রোটিন
- মাছ
- ডিম পরিমিত
- পূর্ণশস্য
- বাদাম ও বীজ পরিমিত
- স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, যেমন পরিমিত অলিভ অয়েল
- পর্যাপ্ত পানি
খাবারের পরিমাণ ও ক্যালরি ব্যক্তির ওজন, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য রোগ অনুযায়ী নির্ধারণ করা ভালো।
পরামর্শ
১. ওজন বেশি থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমানো উপকারী।
২. সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যক্রমের লক্ষ্য রাখা যায়, যদি চিকিৎসক নিষেধ না করেন।
৩. ডায়াবেটিস, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪. অ্যালকোহল গ্রহণ করলে তা বন্ধ/এড়িয়ে চলুন।
৫. চিকিৎসকের পরামর্শে লিভার ফাংশন পরীক্ষা ও প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম/অন্যান্য পরীক্ষা করুন।
৬. শুধু আল্ট্রাসাউন্ডে ফ্যাটি লিভার দেখা গেলেই লিভারের ক্ষতির মাত্রা পুরোপুরি বোঝা যায় না; প্রয়োজনে চিকিৎসক ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারেন।
৭. নিজের ইচ্ছায় “লিভার টনিক” বা ওষুধ গ্রহণ করবেন না।
৮. নিয়মিত ফলোআপ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।