
ডায়েবেটিস(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. বংশগত প্রবণতা—পরিবারে ডায়াবেটিস থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। ২. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা। ৩. শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাব। ৪. অতিরিক্ত ক্যালরি, মিষ্টি ও পরিশোধিত শর্করা গ্রহণ এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস। ৫. দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপন। ৬. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব। ৭. বয়স বাড়ার সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি। ৮. গর্ভাবস্থায় গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হওয়া। ৯. কিছু হরমোনজনিত বা অগ্ন্যাশয়ের রোগ। ১০. কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে রক্তে শর্করা
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণ
১. বারবার প্রস্রাব হওয়া বা অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া।
২. অতিরিক্ত পিপাসা লাগা।
৩. স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ক্ষুধা লাগা।
৪. অকারণে ওজন কমে যাওয়া।
৫. অতিরিক্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তি।
৬. চোখে ঝাপসা দেখা।
৭. ক্ষত বা কাটা-ছেঁড়া দেরিতে শুকানো।
৮. বারবার ত্বক, মূত্রনালি বা অন্যান্য সংক্রমণ হওয়া।
৯. হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অবশভাব হতে পারে।
১০. ত্বক শুষ্ক ও চুলকানি হওয়া।
১১. দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে কিডনি, চোখ, স্নায়ু, হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালিতে ক্ষতি হতে পারে।
নিষেধ
ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব খাবার এড়ানো বা কমানো উচিত
১. চিনি ও মিষ্টি
চিনি
মিষ্টি
রসগোল্লা, সন্দেশ, জিলাপি
মিষ্টি বিস্কুট
কেক ও পেস্ট্রি
২. চিনি-যুক্ত পানীয়
কোমল পানীয়
মিষ্টি শরবত
প্যাকেটজাত মিষ্টি জুস
এনার্জি ড্রিংক
চিনি দিয়ে তৈরি চা বা কফি
৩. অতিরিক্ত পরিশোধিত শর্করা
অতিরিক্ত সাদা ভাত
ময়দার তৈরি খাবার
সাদা পাউরুটি
অতিরিক্ত নুডলস বা পরিশোধিত শস্যজাত খাবার
৪. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার
পুরি, পরোটা
সিঙ্গারা, সমুচা
ফাস্টফুড
অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস
৫. অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার
চিপস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস ও অতিরিক্ত লবণ-চিনি-চর্বিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে দিন।
ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে
ফল একেবারে নিষিদ্ধ নয়। তবে পরিমাণ বুঝে পুরো ফল খাওয়া ভালো। ফলের রস বা চিনি মেশানো জুস এড়িয়ে চলুন।
পরামর্শ
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ
১. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন।
২. নির্ধারিত ওষুধ বা ইনসুলিন থাকলে নিজের ইচ্ছায় বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না।
৩. প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক ব্যায়াম করুন, যদি চিকিৎসক অনুমতি দেন।
৪. খাবার একবারে বেশি না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে ও নিয়মিত সময়ে খাবার গ্রহণ করুন।
৫. খাবারে শাকসবজি, ডাল, পূর্ণশস্য, মাছ, ডিম ও পরিমিত স্বাস্থ্যকর প্রোটিন রাখুন।
৬. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৭. অতিরিক্ত ওজন থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।
৮. ধূমপান পরিহার করুন এবং অ্যালকোহল গ্রহণ করলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
৯. প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
১০. পায়ের যত্ন নিন। প্রতিদিন পায়ে কোনো কাটা, ফোসকা, ঘা বা সংক্রমণ হয়েছে কি না দেখুন।
১১. খালি পায়ে হাঁটা এড়িয়ে চলুন এবং আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন।
১২. নিয়মিত চোখ, কিডনি, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।