
টিউমার(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। বংশগত বা জেনেটিক কারণ। দীর্ঘদিনের কিছু সংক্রমণ বা প্রদাহ। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য। অতিরিক্ত সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শ—বিশেষ করে ত্বকের ক্ষেত্রে। কিছু রাসায়নিক পদার্থ বা পরিবেশগত ঝুঁকি। অতিরিক্ত ওজন ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অনেক টিউমারের নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
টিউমারের ধরন ও কোথায় হয়েছে তার ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। সাধারণভাবে—
- শরীরের কোনো স্থানে নতুন গুটি বা ফোলা।
- গুটি ধীরে বা দ্রুত বড় হওয়া।
- গুটিতে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া।
- অকারণে ওজন কমে যাওয়া।
- দীর্ঘদিন দুর্বলতা বা ক্ষুধা কমে যাওয়া।
- দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা শ্বাসকষ্ট।
- অস্বাভাবিক রক্তপাত।
- দীর্ঘদিনের পেটব্যথা বা হজমের সমস্যা।
- ত্বকের গুটি বা দাগের আকার, রং বা আকৃতির পরিবর্তন।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
টিউমারের জন্য সবার ক্ষেত্রে একই খাবার নিষিদ্ধ নয়। তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ।
1. অতিরিক্ত তেলেভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমাতে হবে।
2. অতিরিক্ত লবণ ও চিনি কম খেতে হবে।
3. কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় এড়ানো ভালো।
4. প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং অতিরিক্ত লাল মাংস সীমিত করা উচিত।
5. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে।
6. অ্যালকোহল গ্রহণ না করাই ভালো।
7. পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।
উপকারী খাবার
- বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি।
- মৌসুমি ফল।
- মাছ, ডিম ও পরিমিত প্রোটিন।
- ডাল ও সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার।
- বাদাম ও বীজ, যদি অ্যালার্জি না থাকে।
- পর্যাপ্ত পানি।
- রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী সুষম খাবার।
পরামর্শ
শরীরে নতুন কোনো গুটি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গুটি দ্রুত বড় হলে বা শক্ত হয়ে গেলে দ্রুত পরীক্ষা করান।
প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম, CT/MRI বা বায়োপসি করে টিউমারের ধরন নির্ণয় করা হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, ভেষজ বা তথাকথিত টিউমার-গলানোর চিকিৎসা গ্রহণ করবেন না।
টিউমার ক্যান্সারজনিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা অন্যান্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
চিকিৎসকের দেওয়া চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করা উচিত নয়।
পর্যাপ্ত ঘুম, হালকা শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।