
টাইফয়েড জ্বর(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. দূষিত পানি পান করা। ২. অপরিষ্কার বা দূষিত খাবার খাওয়া। ৩. আক্রান্ত ব্যক্তির হাতের মাধ্যমে খাবার দূষিত হওয়া। ৪. অপরিষ্কার পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা। ৫. খাবার তৈরির আগে ও খাওয়ার আগে হাত পরিষ্কার না করা। ৬. অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা খাবার গ্রহণ।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা জ্বর
মাথাব্যথা
শরীর দুর্বল ও অবসাদগ্রস্ত লাগা
ক্ষুধামন্দা
পেটব্যথা বা পেটের অস্বস্তি
বমি বমি ভাব
ডায়রিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য
শরীর ব্যথা
কখনও শুকনো কাশি
গুরুতর অবস্থায় বিভ্রান্তি বা অতিরিক্ত দুর্বলতা
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
টাইফয়েডে খুব কড়া খাদ্য-নিষেধের চেয়ে নিরাপদ, সহজপাচ্য খাবার এবং পর্যাপ্ত তরল বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এড়িয়ে চলুন:
- অপরিষ্কার বা রাস্তার খোলা খাবার
- কাঁচা/অপরিষ্কার সালাদ
- অপরিশোধিত পানি
- অতিরিক্ত ঝাল-মসলা ও তেলযুক্ত খাবার
- অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
- অ্যালকোহল
- পেট খারাপ থাকলে অতিরিক্ত চা-কফি ও কোমল পানীয়
উপকারী খাবার
- নিরাপদ পানি
- ORS, বিশেষ করে ডায়রিয়া বা বমি হলে
- ভাত, খিচুড়ি বা নরম খাবার
- স্যুপ
- ডাল
- সেদ্ধ আলু ও অন্যান্য ভালোভাবে রান্না করা সবজি
- কলা ও অন্যান্য পরিষ্কারভাবে ধোয়া/খোসা ছাড়ানো ফল
- ডিম, মাছ বা মাংস ভালোভাবে রান্না করে
- অল্প অল্প করে বারবার খাবার
পরামর্শ
১. টাইফয়েড সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করান।
২. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিকের পূর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে।
৩. নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক শুরু বা বন্ধ করবেন না।
৪. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং পানি/তরল গ্রহণ করুন।
৫. জ্বরের সময় শরীরের পানিশূন্যতা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৬. সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুতে হবে।
৭. আক্রান্ত ব্যক্তি যেন অন্যের জন্য খাবার তৈরি না করেন।
৮. জ্বর কমে গেলেও চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ফলোআপ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।