
জরায়ু টিউমার(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
জরায়ুর টিউমারের সম্ভাব্য কারণ ও ঝুঁকি ১. হরমোনের প্রভাব—ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের প্রভাবে ফাইব্রয়েডের বৃদ্ধি হতে পারে। ২. বংশগত প্রবণতা—পরিবারে ফাইব্রয়েড থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৩. বয়স ও প্রজননকাল—প্রজননক্ষম বয়সে ফাইব্রয়েড বেশি দেখা যায়। ৪. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. শরীরে হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্যে পরিবর্তন। ৬. কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য জৈবিক ও বংশগত কারণও ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই ফাইব্রয়েডের নির্দিষ্ট একটি কারণ চিহ্নিত করা
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
প্রধান লক্ষণ
১. মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত।
২. মাসিক দীর্ঘদিন চলা বা অনিয়মিত হওয়া।
৩. মাসিকের সময় তীব্র পেটব্যথা বা কোমরব্যথা।
৪. তলপেটে ভারীভাব বা চাপ অনুভূত হওয়া।
৫. পেটের নিচের অংশে ফোলা বা আকার বৃদ্ধি মনে হওয়া।
৬. ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ—টিউমার বড় হয়ে মূত্রথলিতে চাপ দিলে।
৭. কোষ্ঠকাঠিন্য বা পায়খানায় চাপ—টিউমার আশপাশের অঙ্গে চাপ দিলে।
৮. সহবাসের সময় ব্যথা।
৯. অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা ও ক্লান্তি।
১০. কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণে সমস্যা বা গর্ভাবস্থায় জটিলতা দেখা দিতে পারে।
১১. অনেক রোগীর কোনো লক্ষণই নাও থাকতে পারে এবং অন্য কারণে পরীক্ষা করতে গিয়ে টিউমার ধরা পড়তে পারে।
টিউমার কীভাবে বৃদ্ধি বা বিস্তার লাভ করে
ফাইব্রয়েড সাধারণত স্থানীয়ভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ক্যান্সারের মতো শরীরের অন্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে না।
তবে এটি বড় হলে—
জরায়ুর আকার বৃদ্ধি করতে পারে।
মূত্রথলিতে চাপ দিতে পারে।
অন্ত্রে চাপ দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত ঘটিয়ে রক্তস্বল্পতা তৈরি করতে পারে।
জরায়ুর আকৃতি বা অবস্থানে পরিবর্তন এনে গর্ভধারণে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
নিষেধ
খাদ্য ও জীবনযাপন
১. শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, মাছ, ডিম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
২. অতিরিক্ত তেল-চর্বি, মিষ্টি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে দিন।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৪. অতিরিক্ত রক্তপাত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রনসমৃদ্ধ খাবার ও প্রয়োজনে আয়রন পরীক্ষা/চিকিৎসা করুন।
৫. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
৬. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
পরামর্শ
বিশেষ পরামর্শ
১. অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত হলে অবহেলা করবেন না।
২. নিজের ইচ্ছায় হরমোনের ওষুধ বা অন্য কোনো চিকিৎসা শুরু করবেন না।
৩. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলো-আপ করুন।
৪. টিউমারের আকার ও অবস্থান পর্যবেক্ষণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাম করুন।
৫. গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে চিকিৎসককে আগে জানান।
৬. হঠাৎ প্রচুর রক্তপাত, তীব্র পেটব্যথা, মাথা ঘোরা/অজ্ঞান হওয়া বা মেনোপজের পর রক্তপাত হলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।