
চুল পড়া(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
চুল পড়ার কারণসমূহ ১। হরমোনের পরিবর্তন। ২। রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টির ঘাটতি। ৩। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ। ৪। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা বা জ্বরের পর। ৫। মাথার ত্বকে খুশকি, চুলকানি ও সংক্রমণ। ৬। বংশগত কারণে। ৭। থাইরয়েডের সমস্যায়। ৮। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়। ৯। চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার ও চুলে টান পড়ার কারণে। ১০। মাথার ত্বকের বিভিন্ন রোগের কারণে।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
১. হরমোনের পরিবর্তন
হোমিওপ্যাথির গ্রন্থে হরমোনজনিত পরিবর্তন, বিশেষ করে নারীদের মাসিকের অনিয়ম, সন্তান প্রসবের পর শারীরিক পরিবর্তন এবং মেনোপজের সময় চুল পড়ার মতো উপসর্গের উল্লেখ পাওয়া যায়।
২. রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টির ঘাটতি
শরীরে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা, অপুষ্টি এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টির অভাবের সঙ্গে চুল পড়ার উপসর্গকে কিছু বর্ণনায় যুক্ত করা হয়েছে।
৩. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, মানসিক আঘাত, ভয়, শোক ও দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের পর চুল পড়ার কথা কিছু হোমিওপ্যাথিক গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়।
৪. মাথার ত্বকের সমস্যা
- মাথার ত্বকে খুশকি।
- মাথার ত্বকে চুলকানি।
- মাথার ত্বকে শুষ্কতা।
- মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব।
- মাথার ত্বকে ক্ষত, প্রদাহ বা সংক্রমণের সঙ্গে চুল পড়া।
৫. চুলের গোড়ার দুর্বলতা
হোমিওপ্যাথির কিছু বর্ণনায় চুলের গোড়া দুর্বল হওয়া, চুল সহজে উঠে আসা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া এবং মাথার বিভিন্ন অংশে চুল কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৬. অসুস্থতার পর চুল পড়া
দীর্ঘদিন জ্বর, শারীরিক দুর্বলতা, গুরুতর অসুস্থতা বা শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপের পর চুল পড়ার উপসর্গের বর্ণনা পাওয়া যায়।
৭. বংশগত প্রবণতা
পরিবারে চুল পড়ার ইতিহাস থাকলে চুল পাতলা হওয়া বা ধীরে ধীরে চুল কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এটি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
৮. অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ
- থাইরয়েডের সমস্যা।
- শরীরে আয়রন, প্রোটিন বা অন্যান্য পুষ্টির ঘাটতি।
- কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
- চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার।
- চুল শক্ত করে বাঁধা বা অতিরিক্ত টান পড়া।
- মাথার ত্বকের কিছু রোগ।
নিষেধ
চুল পড়া রোধে উপকারী খাবার ও বিশেষ পরামর্শ
চুল পড়ার জন্য উপকারী খাবার
১। ডিম: প্রোটিন ও বায়োটিনের উৎস, যা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
২। মাছ: প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস।
৩। দুধ ও দই: প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎস।
৪। ডাল ও ছোলা: উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও আয়রনের উৎস।
৫। শাকসবজি: পালংশাক, লালশাক ও অন্যান্য শাক আয়রন ও ভিটামিনের উৎস।
৬। ফলমূল: পেয়ারা, কমলা, আমলকী ও অন্যান্য ফল ভিটামিন সি সরবরাহ করে।
৭। বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, তিল ও কুমড়ার বীজে প্রোটিন, জিংক ও স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে।
৮। মাংস: পরিমিত চর্বিহীন মাংস প্রোটিন, আয়রন ও জিংকের উৎস।
চুল পড়া রোধে বিশেষ পরামর্শ
১। প্রতিদিন সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।
২। পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও অন্যান্য পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে।
৩। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।
৫। চুলে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার ও অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ পরিহার করতে হবে।
৬। চুল শক্ত করে বাঁধা ও অতিরিক্ত টান দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭। মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে এবং খুশকি বা চুলকানি থাকলে উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে হবে।
৮। নিজের ইচ্ছায় ভিটামিন বা আয়রনের ওষুধ গ্রহণ না করে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৯। অতিরিক্ত চুল পড়া, মাথায় টাকের মতো ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়া বা হঠাৎ চুল পড়া শুরু হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ
চুল পড়া রোধে বিশেষ পরামর্শ
১। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত গ্রহণ করুন।
২। পর্যাপ্ত প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খান।
৩। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
৪। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
৫। চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
৬। অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত হেয়ার ডাই, স্ট্রেইটেনিং ও অন্যান্য প্রসাধনী ব্যবহার পরিহার করুন।
৭। অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার বা গরম তাপ চুলে ব্যবহার করবেন না।
৮। চুল শক্ত করে বাঁধা বা চুলের গোড়ায় অতিরিক্ত টান দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৯। খুশকি, চুলকানি বা মাথার ত্বকের কোনো সমস্যা থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসা নিন।
১০। অতিরিক্ত চুল পড়া বা হঠাৎ চুল পড়া শুরু হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।