
চর্মরোগের(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১। অ্যালার্জি ও অতিসংবেদনশীলতার কারণে। ২। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক বা পরজীবীর সংক্রমণে। ৩। অপরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অতিরিক্ত ঘামের কারণে। ৪। ধুলাবালি, রাসায়নিক পদার্থ বা প্রসাধনী ব্যবহারে। ৫। অতিরিক্ত রোদ ও পরিবেশগত প্রভাবে। ৬। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে। ৭। বংশগত বা পারিবারিক প্রবণতার কারণে। ৮। পুষ্টির ঘাটতি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যায়। ৯। মানসিক চাপ ও দীর্ঘস্থায়ী দুশ্চিন্তার সঙ্গে কিছু চর্মরোগের উপসর্গ বাড়তে পারে। ১০। ডায়াবেটিসসহ কিছু অভ্যন্তরীণ রোগের সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
চর্মরোগের সাধারণ লক্ষণ
চর্মরোগের ধরন অনুযায়ী লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে—
১। ত্বকে চুলকানি হওয়া।
২। ত্বকে লালচে দাগ বা র্যাশ দেখা দেওয়া।
৩। ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা গুটি হওয়া।
৪। ত্বকে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভূত হওয়া।
৫। ত্বক শুষ্ক, খসখসে বা ফেটে যাওয়া।
৬। ত্বকে ফোসকা বা পানি ভর্তি দানা হওয়া।
৭। ত্বকে ঘা বা ক্ষত তৈরি হওয়া।
৮। ত্বক থেকে পুঁজ বা পানি বের হওয়া।
৯। ত্বকের রং পরিবর্তন হওয়া—কালো, সাদা বা বাদামি দাগ দেখা দেওয়া।
১০। মাথার ত্বকে খুশকি ও চুলকানি হওয়া।
১১। ত্বকে অতিরিক্ত শুষ্কতা বা তৈলাক্ততা দেখা দেওয়া।
১২। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থানে চুল পড়ে যাওয়া।
নিষেধ
১। আক্রান্ত স্থান চুলকানো, ঘষাঘষি বা খোঁচানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
২। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড বা মিশ্রিত ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়।
৩। অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে, কাপড়, চিরুনি, রেজর বা ব্যক্তিগত সামগ্রী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪। অতিরিক্ত সাবান, সুগন্ধি, প্রসাধনী ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
৫। অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করা উচিত নয়, বিশেষ করে ত্বক শুষ্ক বা চুলকানি থাকলে।
৬। অতিরিক্ত ঘাম ও ভেজা কাপড় দীর্ঘক্ষণ শরীরে রাখা যাবে না।
৭। খুব টাইট বা অপরিষ্কার কাপড় পরা এড়িয়ে চলতে হবে।
৮। যে খাবার খেলে নিজের ত্বকের সমস্যা বাড়ে, তা চিহ্নিত করে পরিহার করা যেতে পারে।
৯। আক্রান্ত স্থানে নিজের ইচ্ছায় লেবু, টুথপেস্ট, ব্লিচ, ভেষজ বা অন্যান্য ঘরোয়া উপাদান লাগানো উচিত নয়।
১০। চর্মরোগ সংক্রামক হলে আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ ও ব্যক্তিগত জিনিস ভাগাভাগি এড়িয়ে চলতে হবে।
১১। রোগ দীর্ঘদিন থাকলে বা বারবার হলে নিজে নিজে ওষুধ পরিবর্তন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ
চর্মরোগে রোগীর জন্য বিশেষ পরামর্শ
১। ত্বক সবসময় পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখুন।
২। নিয়মিত গোসল করুন এবং গোসলের পর ত্বক ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।
৩। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
৪। আক্রান্ত স্থান চুলকানো, ঘষা বা খোঁচানো থেকে বিরত থাকুন।
৫। নিজের তোয়ালে, কাপড়, চিরুনি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করবেন না।
৬। প্রতিদিন পরিষ্কার ও শুকনো পোশাক পরুন এবং অতিরিক্ত ঘাম হলে পোশাক পরিবর্তন করুন।
৭। ত্বকে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে এমন সাবান, প্রসাধনী, সুগন্ধি বা রাসায়নিক পদার্থ এড়িয়ে চলুন।
৮। অতিরিক্ত রোদ, ধুলাবালি ও গরম পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ থাকা এড়িয়ে চলুন, যদি এতে সমস্যা বাড়ে।
৯। পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
১০। যে খাবার বা কোনো নির্দিষ্ট উপাদানে অ্যালার্জি হয় বলে জানা আছে, তা পরিহার করুন।
১১। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড বা মিশ্রিত ক্রিম ব্যবহার করবেন না।
১২। চর্মরোগের ধরন অনুযায়ী যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলোআপ করুন।
১৩। ত্বকে পুঁজ, অতিরিক্ত ফোলা, তীব্র ব্যথা, জ্বর বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্ষত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন
চর্মরোগের ধরন ও কারণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম। তাই শুধু ঘরোয়া পরামর্শ বা খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সব চর্মরোগ ভালো হয় না। রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করাই সুস্থ হওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।