🍃 সারা বাংলাদেশে দ্রুত হোম ডেলিভারি
Syed Homeo প্রিমিয়াম হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন
হোমিও মেডিসিন

গ্যাস্টিক (ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)

★★★★★ ৫.০ রেটিং

0৳0৳

স্টকে আছে: 56

গ্যাস বা পেটে বায়ু জমা হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো— ১. খাবার খাওয়ার সময় অতিরিক্ত বাতাস গিলে ফেলা। ২. দ্রুত খাবার খাওয়া ও খাবার ভালোভাবে না চিবানো। ৩. অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও গ্যাস সৃষ্টিকারী খাবার খাওয়া। ৪. ছোলা, ডাল, বাঁধাকপি, ফুলকপি, পেঁয়াজ ইত্যাদি খাবার কিছু মানুষের পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে। ৫. কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত ফিজি পানীয় পান করা। ৬. কোষ্ঠকাঠিন্য বা পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া। ৭. দুধ বা নির্দিষ্ট খাবার হজমে অসুবিধা হওয়া। ৮. অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য গাঁজনের ফলে অতিরিক

এখনই কিনুন

ডেলিভারি চার্জ

ঢাকার ভিতরে 80৳ঢাকার বাইরে 130৳
✓ ক্যাশ অন ডেলিভারি
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি

লক্ষণ

১. পাকস্থলীতে অস্বস্তি
- পাকস্থলীতে ভারী পাথর রাখার মতো চাপ অনুভূত হওয়া।
- খাবারের পর পেট ভারী লাগা।
- পাকস্থলীতে টানটান ভাব বা চাপ অনুভব।
- পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া।
- ওপরের পেটে ব্যথা ও অস্বস্তি।
- পাকস্থলী চাপ দিলে ব্যথা বা সংবেদনশীলতা অনুভূত হওয়া।
২. গ্যাস ও পেট ফাঁপা
- পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা।
- পেট ফুলে যাওয়া ও টানটান অনুভূতি।
- খাবারের পর পেট ফাঁপা।
- বারবার ঢেঁকুর ওঠা।
- গ্যাসের চাপে পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি।
- ঢেঁকুর বা বায়ু নির্গমনের পর সাময়িক স্বস্তি পাওয়া।
৩. অম্লতা ও বুকজ্বালা
- টক ঢেঁকুর ওঠা।
- তেতো ঢেঁকুর ওঠা।
- বুকজ্বালা বা পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া।
- মুখে টক পানি বা জল আসা।
- খাবারের পর টক স্বাদ অনুভব।
- গলা পর্যন্ত খাবার বা পাকস্থলীর উপাদান উঠে আসার অনুভূতি।
৪. বদহজম ও খাবারের পরের লক্ষণ
- খাবার হজম হতে দেরি হওয়ার অনুভূতি।
- অল্প খাবারেই পেট ভরে যাওয়া।
- খাবার পাকস্থলীতে অনেকক্ষণ আটকে আছে বলে মনে হওয়া।
- খাবারের পর পেট ভার ও অস্বস্তি।
- খাবারের পর বমিভাব।
- খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলীতে চাপ বা ব্যথা।
- হজমের গোলমালের সঙ্গে পেটের গড়গড় শব্দ হওয়া।
৫. বমিভাব ও বমি
- বমি বমি ভাব।
- বমি করার চেষ্টা হলেও বমি না হওয়া।
- খাবারের পর বমিভাব বৃদ্ধি।
- টক বা তেতো পদার্থ বমি হওয়া।
- হজম না হওয়া খাবার বমি হওয়ার বর্ণনা।
- বমির পর পাকস্থলীর ব্যথা সাময়িক কমে যাওয়া।
৬. ক্ষুধা ও পিপাসার পরিবর্তন
- ক্ষুধা কমে যাওয়া।
- অল্প খাবারেই পেট ভরে যাওয়া।
- অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা।
- খাওয়ার পরও পাকস্থলীতে খালি বা দুর্বল লাগার অনুভূতি।
- পিপাসা বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া।
৭. সময় ও খাবারের সঙ্গে সম্পর্কিত লক্ষণ
হোমিওপ্যাথির গ্রন্থে উপসর্গ কখন বাড়ে বা কমে, সেটিও বর্ণনা করা হয়।
- খাবারের পর উপসর্গ বেড়ে যাওয়া।
- সকালে খালি পেটে বমিভাব বা অস্বস্তি।
- রাতে পেটব্যথা বা গ্যাসের সমস্যা।
- চর্বিযুক্ত বা ভারী খাবারের পর বদহজম।
- কফি বা কিছু পানীয় গ্রহণের পর পাকস্থলীর অস্বস্তি।
- ঢেঁকুর হলে পেটের চাপ কিছুটা কমে যাওয়া।
- গরম বা ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে উপসর্গের পরিবর্তন।

নিষেধ

গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্য খাদ্য ও নিষেধ
গ্যাস্ট্রিক রোগীদের উপকারী খাবার
১। পরিমিত ভাত, নরম খিচুড়ি ও ওটস খাওয়া যেতে পারে।
২। কলা, বাঙ্গি, তরমুজ ইত্যাদি সহনীয় ফল খাওয়া যেতে পারে।
৩। লাউ, কুমড়া, গাজর, ঝিঙে ও অন্যান্য সেদ্ধ শাকসবজি খাওয়া যেতে পারে।
৪। মাছ, চামড়া ছাড়া মুরগি, ডিম ও অন্যান্য কম চর্বিযুক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া যেতে পারে।
৫। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
৬। অল্প অল্প করে পরিমিত খাবার গ্রহণ করতে হবে।
গ্যাস্ট্রিক রোগীদের নিষেধনীয় খাবার
১। অতিরিক্ত ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
২। অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করতে হবে।
৩। অতিরিক্ত চা, কফি ও কোমল পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে এগুলোতে সমস্যা বাড়লে।
৪। লেবু, কমলা, টমেটো ও অন্যান্য অম্লীয় খাবার যাদের বুকজ্বালা বাড়ায়, তাদের সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
৫। চকলেট ও পুদিনা কিছু মানুষের অ্যাসিড রিফ্লাক্স বাড়াতে পারে, তাই উপসর্গ বাড়লে পরিহার করতে হবে।
৬। অতিরিক্ত খাবার একসঙ্গে খাওয়া যাবে না।

পরামর্শ

গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্য বিশেষ নিষেধ ও পরামর্শ
১। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা এবং অনিয়মিত খাবার গ্রহণ পরিহার করতে হবে।
২। খাবার দ্রুত না খেয়ে ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে।
৩। খাবার খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া যাবে না।
৪। রাতে শোয়ার অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে খাবার শেষ করতে হবে।
৫। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করতে হবে।
৬। অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭। অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৮। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
৯। আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেন ও অন্যান্য ব্যথানাশক ওষুধ নিজের ইচ্ছায় সেবন করা যাবে না।
১০। পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
  • প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
মূল্য0৳এখনই অর্ডার করুন
🌿 হোমিওপ্যাথিক স্বাস্থ্যসেবা

স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও
হোমিওপ্যাথিক আপডেট পান

আপনার ইমেইল ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করুন এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্য পরামর্শ ও নতুন ওষুধ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সবার আগে পান।

☏ 🛒 0