
কোমর ব্যথা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা। ভুল ভঙ্গিতে বসা, শোয়া বা কাজ করা। ভারী জিনিস তোলা বা অতিরিক্ত পরিশ্রম। কোমরের পেশিতে টান বা আঘাত। মেরুদণ্ডের হাড়ের ক্ষয় বা পরিবর্তন। ডিস্কের সমস্যা বা সায়াটিকা। অতিরিক্ত ওজন। বাত বা জয়েন্টের সমস্যা। কিডনির পাথর বা কিডনির সংক্রমণ—বিশেষ করে কোমরের এক পাশে ব্যথা হলে। খুব কম ক্ষেত্রে সংক্রমণ বা অন্য গুরুতর রোগ।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
কোমরে ব্যথা বা ভারী অনুভূতি।
কোমর শক্ত হয়ে যাওয়া।
সামনে ঝুঁকতে বা সোজা হতে কষ্ট।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে ব্যথা বাড়া।
কোমর থেকে নিতম্ব বা পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া।
পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশভাব।
চলাফেরা করতে অস্বস্তি।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
কোমর ব্যথার জন্য নির্দিষ্ট কোনো খাবার সবার ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ নয়। তবে—
1. অতিরিক্ত তেলেভাজা ও চর্বিযুক্ত খাবার কমাতে হবে।
2. অতিরিক্ত লবণযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খেতে হবে।
3. অতিরিক্ত মিষ্টি ও কোমল পানীয় কমানো ভালো।
4. অতিরিক্ত ওজন থাকলে বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার কমাতে হবে।
5. পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
6. কিডনি বা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
উপকারী খাবার
- শাকসবজি ও মৌসুমি ফল।
- মাছ, ডিম ও ডাল।
- দুধ ও দুধজাত খাবার, যদি সহ্য হয়।
- ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার।
- সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার।
- পর্যাপ্ত পানি।
- সুষম ও পুষ্টিকর খাবার।
পরামর্শ
সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী না থেকে ব্যথা সহনীয় হলে স্বাভাবিক হালকা চলাফেরা চালিয়ে যান।
ভারী জিনিস তোলা ও অতিরিক্ত ঝুঁকে কাজ করা এড়িয়ে চলুন।
দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থায় বসে থাকবেন না; মাঝে মাঝে উঠে হাঁটুন।
বসার সময় পিঠ সোজা রেখে উপযুক্ত চেয়ার ব্যবহার করুন।
ব্যথার ক্ষেত্রে উষ্ণ সেঁক অনেকের আরাম দিতে পারে।
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও কোমরের পেশি শক্ত করার অনুশীলন উপকারী হতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।