
কিডনী পাথর(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. পর্যাপ্ত পানি পান না করা। ২. অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বা শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হওয়া। ৩. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার খাওয়া। ৪. প্রাণিজ প্রোটিন, যেমন অতিরিক্ত মাংস খাওয়া। ৫. পরিবারে কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকা। ৬. প্রস্রাবের সংক্রমণ। ৭. স্থূলতা ও দীর্ঘদিন শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা। ৮. অতিরিক্ত অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ। ৯. কিছু ওষুধ বা বিপাকীয় রোগ। ১০. আগে একবার কিডনিতে পাথর হওয়া।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
কোমরের এক পাশে বা পিঠে তীব্র ব্যথা।
ব্যথা তলপেট বা কুঁচকিতে ছড়িয়ে পড়া।
প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া।
বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া।
প্রস্রাবে রক্ত দেখা।
বমি বমি ভাব বা বমি।
প্রস্রাব ঘোলা বা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া।
প্রস্রাব কমে যাওয়া বা আটকে যাওয়া।
সংক্রমণ থাকলে জ্বর ও কাঁপুনি।
নিষেধ
যেসব খাবার কমাতে হবে
১. অতিরিক্ত লবণ, আচার, চিপস ও প্যাকেটজাত খাবার।
২. অতিরিক্ত গরু, খাসি ও কলিজা-মাংস।
৩. অতিরিক্ত কোমল পানীয়, বিশেষ করে চিনি ও ফসফরিক অ্যাসিডযুক্ত পানীয়।
৪. অতিরিক্ত পালংশাক, বিট, বাদাম, চকলেট ও চা—বিশেষত ক্যালসিয়াম-অক্সালেট পাথর হলে।
৫. অতিরিক্ত মিষ্টি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার।
৬. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন-সি বা ক্যালসিয়ামের অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট।
গুরুত্বপূর্ণ: সব রোগীর জন্য একই খাবার নিষিদ্ধ নয়। পাথরের ধরন অনুযায়ী খাদ্যতালিকা পরিবর্তন করতে হয়। দুধ বা স্বাভাবিক পরিমাণ ক্যালসিয়াম সম্পূর্ণ বন্ধ করা উচিত নয়, যদি না চিকিৎসক নির্দেশ দেন।
উপকারী অভ্যাস ও খাবার
- চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
- লেবু বা সাইট্রাসজাতীয় ফল পরিমিত খাওয়া যেতে পারে।
- তাজা শাকসবজি ও ফল খেতে হবে।
- লবণ কম ব্যবহার করতে হবে।
- স্বাভাবিক পরিমাণ দুধ ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
- পাথরের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে খাদ্য নির্বাচন করতে হবে।
পরামর্শ
১. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন; গরমে বা বেশি ঘাম হলে পানির পরিমাণ বাড়াতে হতে পারে।
২. প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখবেন না।
৩. অতিরিক্ত লবণ ও মাংস খাওয়া কমান।
৪. নিয়মিত হাঁটা ও ওজন নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস করুন।
৫. কিডনিতে পাথর সন্দেহ হলে আল্ট্রাসনোগ্রাম, প্রস্রাব পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে।
৬. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পাথর গলানোর ওষুধ বা ভেষজ ব্যবহার করবেন না।
৭. ছোট পাথর নিজে থেকে বের হতে পারে, তবে বড় পাথরের জন্য ওষুধ, পাথর ভাঙার চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।
৮. পাথর বের হলে সম্ভব হলে তা পরীক্ষা করে ধরন নির্ণয় করা উচিত।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।