
কিডনীতে পাথর(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
পর্যাপ্ত পানি পান না করা। শরীরে পানিশূন্যতা হওয়া। অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার খাওয়া। অতিরিক্ত মাংস ও প্রাণিজ প্রোটিন গ্রহণ। পরিবারে কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকা। প্রস্রাবের সংক্রমণ। স্থূলতা ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব। রক্তে বা প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রার পরিবর্তন। কিছু ওষুধ বা বিপাকীয় সমস্যার প্রভাব। আগে কিডনিতে পাথর হওয়ার ইতিহাস থাকা।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
কোমর বা পিঠের এক পাশে তীব্র ব্যথা।
ব্যথা তলপেট বা কুঁচকিতে ছড়িয়ে পড়া।
প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া।
বারবার প্রস্রাবের বেগ।
প্রস্রাবে রক্ত।
প্রস্রাব ঘোলা বা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া।
বমি বমি ভাব বা বমি।
পাথরের কারণে প্রস্রাবের পথ বন্ধ হলে প্রস্রাব কমে যাওয়া।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
পাথরের ধরন অনুযায়ী খাদ্যতালিকা পরিবর্তিত হয়। সাধারণভাবে—
1. অতিরিক্ত লবণ, আচার, চিপস ও প্যাকেটজাত খাবার কমাতে হবে।
2. অতিরিক্ত গরু ও খাসির মাংস কম খেতে হবে।
3. অতিরিক্ত কোমল পানীয় ও মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলা ভালো।
4. ক্যালসিয়াম-অক্সালেট পাথর হলে পালংশাক, বিট, বাদাম, চকলেট ইত্যাদি অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো।
5. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন-সি সাপ্লিমেন্ট অতিরিক্ত গ্রহণ করবেন না।
6. দুধ ও স্বাভাবিক পরিমাণ ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার নিজের ইচ্ছায় সম্পূর্ণ বন্ধ করবেন না।
উপকারী খাবার
- পর্যাপ্ত পানি পান করা।
- শাকসবজি ও মৌসুমি ফল।
- লেবু বা অন্যান্য সাইট্রাস ফল পরিমিত খাওয়া।
- মাছ, ডিম ও পরিমিত প্রোটিন।
- স্বাভাবিক পরিমাণ দুধ ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার।
- কম লবণযুক্ত ও সুষম খাবার।
পরামর্শ
চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে সারাদিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখবেন না।
অতিরিক্ত লবণ ও মাংস কমিয়ে দিন।
নিয়মিত হাঁটা ও শারীরিক পরিশ্রম করুন।
কিডনিতে পাথর সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসনোগ্রাম, প্রস্রাব ও প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করান।
পাথরের আকার ও অবস্থান অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করতে হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো পাথর-গলানোর ওষুধ বা ভেষজ গ্রহণ করবেন না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।