
এ্যনোফেশিয়ার সমস্যা(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. জ্বর, সংক্রমণ বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা। ২. গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা হজমের সমস্যা। ৩. লিভার বা কিডনির কিছু রোগ। ৪. অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা বিষণ্নতা। ৫. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ৬. অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ঘুমের অভাব। ৭. দীর্ঘদিনের ব্যথা বা দুর্বলতা। ৮. শরীরে পুষ্টির ঘাটতি। ৯. গুরুতর ক্ষেত্রে বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্যানসারের কারণেও ক্ষুধা কমতে পারে।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
খাবার খেতে ইচ্ছা না করা
অল্প খেলেই পেট ভরে যাওয়া
ওজন কমে যাওয়া
দুর্বলতা ও ক্লান্তি
মাথা ঘোরা
বমি বমি ভাব
পেটে অস্বস্তি
শরীরে পুষ্টির ঘাটতির লক্ষণ
দীর্ঘদিন হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন:
- অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার
- অতিরিক্ত ঝাল-মসলা
- অতিরিক্ত ফাস্টফুড
- অতিরিক্ত কোমল পানীয়
- অতিরিক্ত চা-কফি
- খাবারের ঠিক আগে বেশি পানি পান
- ধূমপান ও অ্যালকোহল
তবে ক্ষুধামন্দার ক্ষেত্রে অকারণে অনেক খাবার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার দরকার নেই।
উপকারী খাবার
- অল্প অল্প করে বারবার খাবার
- ভাত, খিচুড়ি ও নরম খাবার
- ডিম
- মাছ
- ডাল
- দুধ/দই সহ্য হলে
- কলা ও অন্যান্য পুষ্টিকর ফল
- শাকসবজি
- বাদাম ও বীজ পরিমিত পরিমাণে
- পর্যাপ্ত পানি ও তরল
ক্ষুধা কম থাকলে একবারে বেশি খাবারের পরিবর্তে দিনে ৫–৬ বার অল্প পরিমাণে খাওয়া সহজ হতে পারে।
পরামর্শ
১. ক্ষুধামন্দা কতদিন ধরে আছে তা লক্ষ্য করুন।
২. ওজন কমছে কি না নিয়মিত দেখুন।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।
৪. হালকা শারীরিক কার্যক্রম বজায় রাখুন।
৫. খাবার সুন্দরভাবে পরিবেশন করে অল্প পরিমাণে শুরু করুন।
৬. নিজের ইচ্ছায় ক্ষুধা বাড়ানোর ওষুধ বা স্টেরয়েড ব্যবহার করবেন না।
৭. দীর্ঘদিন ক্ষুধামন্দা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে মূল কারণ অনুসন্ধান করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।