
ইউরিক এসিড(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হওয়া। কিডনি পর্যাপ্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করতে না পারা। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা। অতিরিক্ত মাংস ও কিছু পিউরিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ। অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মিষ্টি পানীয় গ্রহণ। কিডনির কিছু রোগ। বংশগত কারণ। কিছু ওষুধের প্রভাবে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যেতে পারে।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
শুধু ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। গাউট হলে—
- হঠাৎ জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা।
- আক্রান্ত স্থান ফুলে যাওয়া।
- জয়েন্ট লাল ও গরম হয়ে যাওয়া।
- বিশেষ করে পায়ের বুড়ো আঙুলে ব্যথা বেশি হওয়া।
- হাঁটা বা জয়েন্ট নাড়াতে কষ্ট হওয়া।
- বারবার হলে জয়েন্টে শক্ত গুটি বা টোফাই তৈরি হতে পারে।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
1. কলিজা, কিডনি, মগজসহ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাংস এড়িয়ে চলুন।
2. গরু, খাসি ও অন্যান্য লাল মাংস বেশি পরিমাণে খাবেন না।
3. কিছু সামুদ্রিক মাছ ও শেলফিশ সীমিত করতে হতে পারে।
4. অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয় ও ফ্রুক্টোজযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
5. অ্যালকোহল, বিশেষ করে বিয়ার, এড়িয়ে চলা ভালো।
6. অতিরিক্ত তেলেভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমান।
7. নিজের ইচ্ছায় সব ডাল, শাকসবজি বা মাছ সম্পূর্ণ বন্ধ করবেন না—সব উদ্ভিজ্জ পিউরিনজাত খাবার গাউটের ঝুঁকি একইভাবে বাড়ায় না।
উপকারী খাবার
- পর্যাপ্ত পানি পান।
- শাকসবজি ও মৌসুমি ফল।
- কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দই।
- পরিমিত ডিম।
- সম্পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার।
- পরিমিত উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।
- সুষম ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার।
পরামর্শ
নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যদি কিডনি বা হৃদ্রোগের কারণে পানি সীমিত করার নির্দেশ না থাকে।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে ওজন কমান।
নিয়মিত হাঁটা ও উপযুক্ত ব্যায়াম করুন।
হঠাৎ খুব বেশি উপোস বা দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করবেন না।
চিকিৎসকের পরামর্শে রক্তে ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষা করুন।
গাউটের ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুরু বা বন্ধ করবেন না।
বারবার জয়েন্ট ফুলে ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।