
আলসার(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (H. pylori) নামের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। ২. দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ, যেমন আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক বা অ্যাসপিরিন সেবন। ৩. অতিরিক্ত ধূমপান। ৪. অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ। ৫. অনিয়মিত খাবার ও দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা—এগুলো উপসর্গ বাড়াতে পারে। ৬. অতিরিক্ত মানসিক চাপ, যা ব্যথা বা অস্বস্তি বাড়াতে পারে। ৭. পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিডের প্রভাব।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
পেটের ওপরের অংশে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা।
খালি পেটে বা খাবারের পর পেটব্যথা।
বুকজ্বালা ও টক ঢেকুর।
বমি বমি ভাব বা বমি।
পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি।
অল্প খাবারেই পেট ভরে যাওয়া।
ক্ষুধা কমে যাওয়া।
গুরুতর অবস্থায় ওজন কমে যাওয়া।
রক্তপাত হলে কালো পায়খানা বা রক্তবমি হতে পারে।
নিষেধ
খাবারে নিষেধ ও সতর্কতা
আলসারের সব রোগীর জন্য একই খাবার নিষিদ্ধ নয়। তবে যেসব খাবারে উপসর্গ বাড়ে, সেগুলো এড়াতে হবে।
১. অতিরিক্ত ঝাল, মসলা ও টক খাবার কমাতে হবে।
২. অতিরিক্ত তেলেভাজা ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়ানো ভালো।
৩. চা, কফি, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক উপসর্গ বাড়ালে কমাতে হবে।
৪. ধূমপান ও অ্যালকোহল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলতে হবে।
৫. অতিরিক্ত ভাজা, বাসি ও অপরিষ্কার খাবার খাওয়া যাবে না।
৬. দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা এড়াতে হবে।
৭. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করা যাবে না।
উপকারী খাবার ও অভ্যাস
- অল্প অল্প করে বারবার খাবার খাওয়া।
- ভাত, রুটি, খিচুড়ি, স্যুপ ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ।
- শাকসবজি ও সহনীয় ফল খাওয়া।
- মাছ, ডিম ও পরিমিত প্রোটিন গ্রহণ।
- পর্যাপ্ত পানি পান করা।
- খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়া।
- রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া।
পরামর্শ
১. চিকিৎসকের পরামর্শে H. pylori পরীক্ষা করাতে হতে পারে।
২. আলসার ধরা পড়লে নির্ধারিত ওষুধের কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে।
৩. ব্যথা কমে গেলেও নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ করা যাবে না।
৪. ধূমপান, অ্যালকোহল ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করতে হবে।
৫. নিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে হবে।
৬. ব্যথা বারবার হলে বা দীর্ঘদিন থাকলে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
৭. শুধু খাবার নিয়ন্ত্রণ বা ঘরোয়া চিকিৎসায় আলসার সম্পূর্ণ নিরাময় নাও হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।