
অর্শ/পাইলস(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য ও শক্ত পায়খানা। ২. পায়খানার সময় অতিরিক্ত জোরে চাপ দেওয়া। ৩. দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা। ৪. দীর্ঘদিন ডায়রিয়া বা ঘন ঘন পায়খানা হওয়া। ৫. খাবারে আঁশের পরিমাণ কম থাকা। ৬. পর্যাপ্ত পানি পান না করা। ৭. দীর্ঘসময় বসে থাকা এবং শারীরিক পরিশ্রম বা চলাফেরা কম করা। ৮. অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি/স্থূলতা। ৯. ভারী জিনিস নিয়মিত ওঠানো বা অতিরিক্ত চাপের কাজ করা। ১০. গর্ভাবস্থায় পেটের ভেতরের চাপ বৃদ্ধি পাওয়া। ১১. বয়স বাড়ার সঙ্গে মলদ্বারের আশপাশের টিস্যু দুর্বল হয়ে যাওয়
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
অর্শরোগের প্রধান লক্ষণসমূহ
১. পায়খানার সময় বা পায়খানার পর উজ্জ্বল লাল রক্তপাত হওয়া।
২. পায়খানা করার সময় মলদ্বারে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হওয়া।
৩. মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হওয়া।
৪. মলদ্বারের কাছে ছোট গুটি বা ফোলা অংশ অনুভূত হওয়া।
৫. পায়খানার সময় গুটি বাইরে বের হয়ে আসা; পরে নিজে থেকে বা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে।
৬. মলদ্বারে ভারীভাব বা চাপ অনুভূত হওয়া।
৭. পায়খানা করার পরও পায়খানা পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি—এমন অনুভূতি হওয়া।
৮. মলদ্বারের আশপাশে আর্দ্রতা বা মিউকাসজাতীয় স্রাব দেখা যেতে পারে।
৯. বাহ্যিক অর্শে রক্ত জমাট বাঁধলে হঠাৎ তীব্র ব্যথা ও শক্ত গুটি হতে পারে।
নিষেধ
অর্শরোগীদের যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
১. অতিরিক্ত ঝাল ও মরিচযুক্ত খাবার কমিয়ে দিন।
২. ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৩. ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান।
৪. অতিরিক্ত মিষ্টি, কেক, বিস্কুট ও মিষ্টান্ন কমিয়ে দিন।
৫. অতিরিক্ত লবণযুক্ত প্যাকেটজাত খাবার যেমন চিপস ও বিভিন্ন স্ন্যাকস কম খান।
৬. অতিরিক্ত চা, কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় গ্রহণ না করাই ভালো, বিশেষ করে এগুলো খেলে অস্বস্তি বাড়লে।
৭. অ্যালকোহল গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।
৮. যেসব খাবার খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস বা ডায়রিয়া বাড়ে, সেগুলো ব্যক্তিগতভাবে চিহ্নিত করে কমিয়ে দিন।
পরামর্শ
অর্শরোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ
১. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
২. খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ রাখুন—শাকসবজি, ফলমূল, ডাল ও পূর্ণশস্যজাতীয় খাবার নিয়মিত খান।
৩. কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলুন এবং পায়খানা শক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৪. পায়খানার সময় অতিরিক্ত জোরে চাপ দেবেন না।
৫. পায়খানার বেগ হলে দেরি না করে টয়লেটে যান।
৬. দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা বা মোবাইল ব্যবহার করার অভ্যাস পরিহার করুন।
৭. প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা ও হালকা শারীরিক ব্যায়াম করুন।
৮. অতিরিক্ত ঝাল, ভাজাপোড়া ও যেসব খাবার খেলে আপনার অস্বস্তি বাড়ে সেগুলো কমিয়ে দিন।
৯. মলদ্বারের স্থানটি পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন এবং অতিরিক্ত ঘষাঘষি করবেন না।
১০. মলদ্বারে ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলে কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ বসে থাকা উপকারী হতে পারে।
১১. দীর্ঘসময় একটানা বসে থাকা এড়িয়ে চলুন; মাঝে মাঝে উঠে হাঁটাচলা করুন।
১২. ভারী জিনিস ওঠানো বা অতিরিক্ত চাপের কাজ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।
১৩. নিজের ইচ্ছায় অর্শের ওষুধ বা মলম দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।