
অনিয়মিত মাসিক(ওষুধ নির্বাচন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত হয়।)
0৳0৳
১. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। ২. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)। ৩. অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা। ৪. দ্রুত ওজন কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি। ৫. থাইরয়েডের সমস্যা। ৬. অতিরিক্ত ব্যায়াম বা অপুষ্টি। ৭. গর্ভধারণ, সন্তান প্রসবের পর বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়। ৮. কিছু ওষুধ বা হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রভাব।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
১. নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে মাসিক হওয়া।
২. কয়েক মাস মাসিক বন্ধ থাকা।
৩. স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম রক্তপাত হওয়া।
৪. মাসিক দীর্ঘদিন স্থায়ী হওয়া।
৫. তলপেটে ব্যথা বা পেট মোচড় দেওয়া।
৬. মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত হওয়া।
৭. অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা।
৮. ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি বা মুখে অতিরিক্ত লোম দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে PCOS থাকলে।
নিষেধ
যেসব খাবার কম খেতে হবে
১. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড।
২. অতিরিক্ত মিষ্টি ও কোমল পানীয়।
৩. অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার।
৪. অতিরিক্ত লবণযুক্ত প্যাকেটজাত খাবার।
৫. অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়।
৬. অস্বাস্থ্যকর ও অপরিষ্কার খাবার।
যেসব খাবার খাওয়া ভালো
১. শাকসবজি ও মৌসুমি ফলমূল।
২. মাছ, ডিম, ডাল ও চর্বিহীন মাংস।
৩. দুধ, দই ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার।
৪. লালচাল, আটার রুটি ও অন্যান্য পূর্ণশস্য।
৫. বাদাম ও বীজ পরিমিত পরিমাণে।
৬. পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি।
পরামর্শ
১. প্রতিদিন সুষম খাবার খেতে হবে।
২. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।
৩. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করতে হবে।
৪. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমাতে হবে।
৫. মাসিকের তারিখ, রক্তপাতের পরিমাণ ও ব্যথার হিসাব রাখতে হবে।
৬. অতিরিক্ত ওজন বা কম ওজন থাকলে স্বাস্থ্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৭. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাসিক নিয়মিত করার ওষুধ বা হরমোন গ্রহণ করা যাবে না।
৮. গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে প্রয়োজনে গর্ভধারণ পরীক্ষা করতে হবে।
৯. মাসিক তিন মাস বন্ধ থাকলে, গর্ভধারণ না থাকলেও, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
১০. অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র পেটব্যথা, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।